বিএনপির রাজনীতি মানুষের কল্যাণের জন্য : তারেক রহমান

Tariq Rahman
অনলাইন ডেস্ক ১৩ জুন ২০২৬ ০১:১১ অপরাহ্ন জাতীয়
অনলাইন ডেস্ক ১৩ জুন ২০২৬ ০১:১১ অপরাহ্ন
বিএনপির রাজনীতি মানুষের কল্যাণের জন্য : তারেক রহমান
--সংগৃহীত ছবি

বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা আগেই বলেছি বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য এবং সে জন্যই আমরা কৃষক ভাইদের পাশের দাঁড়ানোর জন্য খালখনন কর্মসূচি যেমন শুরু করেছি। একই সাথে আমরা নির্বাচনের আগে বলেছিলাম, কৃষক ভাইদের বীজ ও কীটনাশক ওষুধ কেনার জন্য এককালীন আড়াই হাজার টাকার একটি সুবিধা দিতে চাই এবং সেটি দেব কৃষক কার্ডের মাধ্যমে, ইনশাআল্লাহ। শনিবার (১৩ জুন) সকালে কক্সবাজারে পাতালী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে এক পথসভায় তিনি এ কথা বলেন। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগেই বলেছি, আমাদের রাজনীতি হচ্ছে এই বাংলাদেশের মানুষের জন্য। আমরা জানি গ্রামে-গঞ্জে মিলিয়ে বাংলাদেশে ৭০ থেকে ৮০ ভাগ খেটে খাওয়া মানুষ। বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেক হচ্ছে নারী, এই নারীদের দেশনেত্রী খালেদা জিয়া বিনা মূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করে দিয়ে গেছেন। এই নারীরা যদি স্বাবলম্ভী না হয়, তাহলে পুরুষের পাশে দাঁড়াতে পারবে না এবং বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারবে না। সে জন্য এই নরীদের স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা বর্তমান সরকার ফ্রি করার ঘোষণা দিয়েছে। শুধু তাই নয়, যারা ভালো করবে তাদেরকে আমরা উপবৃত্তিও দেব, সে ব্যবস্থাও আমরা রেখেছি। 

এর আগে, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি সকাল ১০টায় কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান রয়েছেন।

পাতলী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে মাসুমঘাট সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন তারেক রহমান। এরপর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত কক্সবাজারের শহিদ ওয়াসীমের কবর জিয়ারত ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি। পাশাপাশি পেকুয়া পৌরসভা ও নতুন মাতামুহুরী উপজেলার অবকাঠামোগত কার্যক্রমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।

রাজনৈতিকভাবে সফরের সবচেয়ে আলোচিত আয়োজন হতে যাচ্ছে চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠের জনসভা। বিকেলে অনুষ্ঠিতব্য এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে এ কর্মসূচি ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

দিনের শেষ ভাগে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ও মেরিন ড্রাইভ এলাকা পরিদর্শন করবেন তিনি। পরে একটি সুধী সমাবেশে অংশ নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন। নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে রাতেই বিমানযোগে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারজুড়ে প্রশাসনিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। নিরাপত্তা, জনসভা আয়োজন এবং সরকারি কর্মসূচিগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীরা প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া একাধিক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী আগেই কক্সবাজারে পৌঁছে সফর-সংক্রান্ত কার্যক্রম সমন্বয় করছেন।