Template: 2
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
logo
বিজয় বাংলা নিউজ
mail.bijoybangla.news
২৭ এপ্রিল ২০২৬
০৭:০৪ অপরাহ্ন

কালবৈশাখী ঝড়: মৌলভীবাজারে ২২৫ জায়গায় তার ছিঁড়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয়

অনলাইন ডেস্ক Power outages in 225 places due to power lines being snapped

মৌলভীবাজারের বিভিন্ন উপজেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় চারবার কালবৈশাখী ঝড় হয়েছে। এতে পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে বিভিন্ন উপজেলায় গাছ ও বাঁশ পড়ে ১৯টি খুঁটি ভেঙে ২২৫ জায়গায় তার ছিঁড়ে গেছে। এতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন বেশিরভাগ গ্রামের মানুষ।

মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় কয়েকদফা কালবৈশাখী ঝড় অতিবাহিত হয়েছে। এতে করে সদর উপজেলা, কমলগঞ্জ, রাজনগর, কুলাউড়া, শ্রীমঙ্গলসহ জেলার সাতটি উপজেলায় কয়েকদফা কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুৎ এর প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে জেলার ৯ হাজার ৬২২ কিলোমিটার বিদ্যুৎ লাইনে ১৯টি খুঁটি ভেঙে পড়ে, ২৩টি খুঁটি হেলে পড়ে, ২২৫ স্থানে তার ছিঁড়ে পড়ে যায়। ৪২১ স্থানে লাইন হেলে পড়েছে, ৫৬টি মিটার ভেঙে গেছে ও ২৭টি ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়েছে। দ্রুত লাইন মেরামত করার চেষ্টা চলছে। তবে জনবল সংকট ও কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে কয়েকবার কালবৈশাখী ঝড় হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়েছে।

সরেজমিনে কমলগঞ্জ, রাজনগরসহ কয়েকটি এলকা ঘুরে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত চারবার কালবৈশাখী ঝড় হয়। এতে অসংখ্য স্থানে গাছ পড়ে বিদ্যুতের লাইন ছিঁড়ে যায়। কমলগঞ্জের পল্লী বিদ্যুৎ অভিযোগ কেন্দ্রের ওপর বিশাল গাছ পড়ে লাইন ছিঁড়ে যায়। এ সময় তিনটি মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়, শমশেরনগর বাজারে ও রাজনগর উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নে খুঁটি ভেঙে পড়ে। এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বৈদ্যুতিক লাইনের ওপর গাছ ও বাঁশ পড়ে।

মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক বার্তায় সব গ্রাহকদের ধৈর্য্য ধারন করে সমিতির কাজে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী সুজিত কুমার বিশ্বাস বলেন, ২৪ ঘণ্টায় কয়েকবার কালবৈশাখী তাণ্ডবে প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঝড়ের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ লাইন ও বিভিন্ন জায়গায় খুটি ভেঙে গেছে এবং বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে পড়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ লাইন মেরামত করে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করার জন্য সমিতির জনবল এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের জনবল সবাই সম্মিলিতভাবে মাঠে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

© বিজয় বাংলা নিউজ
mail.bijoybangla.news