Template: 2
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
logo
বিজয় বাংলা নিউজ
mail.bijoybangla.news
১৯ জুলাই ২০২৬
০১:৫২ অপরাহ্ন

রাসিকের বকেয়া বিদ্যুৎ বিল ৪২ কোটি, বন্ধ রাখা হচ্ছে অর্ধেক সড়ক বাতি

নিজস্ব প্রতিনিধি:- Outstanding electricity bill 42 crores

রাজশাহী মহানগরীকে রাতের আঁধারে আলোকিত ও সৌন্দর্যমণ্ডিত করতে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কে স্থাপন করা হয়েছিল আধুনিক মুকুটবাতি ও হাইমাস্ট লাইট। তবে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত আলো ও বিদ্যুতের অপচয়ের কারণে এখন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) ঘাড়ে চেপেছে অন্তত ৪২ কোটি টাকার বকেয়া বিদ্যুৎ বিল। সুনির্দিষ্ট মেয়াদের আগেই নষ্ট হয়ে গেছে ১০৩ কোটি টাকার নান্দনিক বাতির একটি বড় অংশ।

বিপুল অঙ্কের এই বকেয়া ও অপচয়ের পেছনে সাবেক মেয়রের উদাসীনতাকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাসিক সূত্রে জানা গেছে, নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থেকে বন্ধগেট, তালাইমারি থেকে কোর্ট এবং তালাইমারি থেকে কাঁটাখালী পর্যন্ত প্রায় ২৩ কিলোমিটার সড়কে প্রতি ১৫ মিটার দূরত্বে এসব আধুনিক আলোকবাতি স্থাপন করা হয়। এর মধ্যে কেবল কল্পনা মোড় থেকে তালাইমারি পর্যন্ত দুই কিলোমিটার সড়কের ডিভাইডারেই ২০২২ সালে বসানো হয় ১৩০টি পোল, যার প্রতিটিতে রয়েছে ১৩টি করে বাতি।

তুরস্ক, চীন ও ইতালি থেকে আমদানি করা এসব বাতি এবং নগরীর ১৮টি পয়েন্টে বসানো উঁচু হাইমাস্ট লাইটের অতিরিক্ত আলোর কারণেই মূলত বিদ্যুৎ বিলের এই বিশাল পাহাড় তৈরি হয়েছে। এই বকেয়া আদায়ের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) বারবার নোটিশ দিলেও পূর্ববর্তী কর্তৃপক্ষ তা আমলে নেয়নি।

তবে বর্তমান সিটি করপোরেশন প্রশাসন এই সংকট কাটিয়ে উঠতে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। রাসিকের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন জানান, এই বকেয়া বিল কেবল সড়কবাতির নয়; এর মধ্যে নগরীর চারটি জোনের পানির পাম্প, বিভিন্ন প্রশাসনিক স্থাপনা এবং আরবান হেলথ কেয়ার সেন্টারের বিদ্যুৎ বিলও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বিদ্যুতের অপচয় কমাতে এবং বকেয়া পরিশোধের বিষয়ে রাসিক প্রশাসক গণমাধ্যমকে বলেন, একসঙ্গে এত টাকা পরিশোধ করার সামর্থ্য এই মুহূর্তে করপোরেশনের নেই। তবে আমরা এখন প্রতি মাসে কিছু কিছু করে বকেয়া বিল পরিশোধ করছি। একই সাথে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে বর্তমানে নগরীর প্রায় অর্ধেক সড়কবাতি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।


© বিজয় বাংলা নিউজ
mail.bijoybangla.news