Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
অনলাইন ডেস্ক | ০৫ নভেম্বর ২০২৬
mail.bijoybangla.news
logo
বিজয় বাংলা নিউজ
জাতীয় দৈনিক

সোনার দাম ৪ হাজার ৫০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে

অনলাইন ডেস্ক gold price

বিশ্ববাজারে সোনার দাম আগামী এক থেকে তিন মাসের মধ্যে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বহুজাতিক ব্যাংক সিটি।


বছরের শেষ নাগাদ মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমে আসা এবং হরমুজ প্রণালি আবার খুলে যাওয়ার প্রত্যাশা থেকে সোনার দামে বড় ধরনের ঊর্ধ্বগতির সম্ভাবনা দেখছে ব্যাংকটি।

বুধবার সিটি ব্যাংক জানায়, বছরের শেষ নাগাদ হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া এবং ইয়েমেন-সৌদি সংঘাতের উত্তেজনা কমে আসতে পারে—এমন প্রত্যাশা এই পূর্বাভাসের পেছনে কাজ করছে।


এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পর ডলারের দাম ও মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের মুনাফা কমেছে। এর প্রভাবে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম প্রায় ২ শতাংশ বেড়ে দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বৃহস্পতিবার স্পট গোল্ডের দাম ১ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৩৪ ডলার ৮৩ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। গত ২২ অক্টোবরের পর এটিই সোনার সর্বোচ্চ দাম। এর আগের দিন বুধবার দাম বেড়েছিল ৩ দশমিক ৪ শতাংশ, যা ১৯ আগস্টের পর এক দিনে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি।


বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান এক্সএস ডটকমের বিশ্লেষক লিন ট্রান বলেন, ডলারের দুর্বলতা ও মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের মুনাফা কমে যাওয়ায় সোনার দাম আবার ৪ হাজার ডলারের গুরুত্বপূর্ণ সীমা ছাড়িয়েছে। তবে এই ঊর্ধ্বগতি ধরে রাখতে হলে দাম ৪ হাজার ডলারের ওপরে স্থিতিশীল থাকতে হবে।


তার মতে, বিনিয়োগের প্রবাহ ও বন্ডের মুনাফার পরিবর্তন সোনার বাজারকে সমর্থন দিলে দাম প্রথমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২০০ ডলার এবং পরে ৪ হাজার ৪০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে।

মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পর বৃহস্পতিবার ডলারের দাম কিছুটা কমেছে। নির্বাচনের ফলাফল বাজারের একটি বড় অনিশ্চয়তা দূর করেছে। এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারেও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।


ডলারের দাম কমলে অন্য মুদ্রার মালিকদের জন্য ডলারে মূল্য নির্ধারিত সোনা কেনা তুলনামূলক সস্তা হয়। এতে সোনার চাহিদা বাড়তে পারে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ১০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের মুনাফা রাতারাতি ৬ বেসিস পয়েন্ট কমেছে। টোকিওতে দিনের শুরুতে তা আরও ১ বেসিস পয়েন্ট কমে ৪ দশমিক ৮৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।


বিনিয়োগকারীরা এখন শুক্রবার প্রকাশিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের নন-ফার্ম পেরোলস বা কৃষি খাতের বাইরের কর্মসংস্থানসংক্রান্ত প্রতিবেদনের দিকে তাকিয়ে আছেন। এই প্রতিবেদন থেকে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের ভবিষ্যৎ সুদের হার নীতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারে।


সিএমই ফেডওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বরে ফেড সুদের হার বাড়াতে পারে বলে ধারণা করছেন বাজারের ৮২ শতাংশ বিনিয়োগকারী। সুদের হার বাড়লে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে সোনা ধরে রাখার সুযোগব্যয় বেড়ে যায়। এতে বিনিয়োগকারীদের কাছে সোনার আকর্ষণ কমতে পারে।

তবে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার প্রত্যাশা এবং ডলারের দুর্বলতা সোনার বাজারকে সমর্থন দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।


সূত্র: রয়টার্স

© বিজয় বাংলা নিউজ
mail.bijoybangla.news