ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তিগত সেবা জোরদার করতে জেকে লাইফস্টাইলে নতুন তিন নিয়োগ

Strengthening business growth, financial management and technical services
নিজেস্ব প্রতিবেদক ০৮ নভেম্বর ২০২৬ ০১:১৮ অপরাহ্ন তথ্যপ্রযুক্তি
নিজেস্ব প্রতিবেদক ০৮ নভেম্বর ২০২৬ ০১:১৮ অপরাহ্ন
ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তিগত সেবা জোরদার করতে জেকে লাইফস্টাইলে নতুন তিন নিয়োগ
ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তিগত সেবা জোরদার করতে জেকে লাইফস্টাইলে নতুন তিন নিয়োগ

বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ লাইফস্টাইল বিষয়ক পরামর্শক ও অর্গানিক পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান জেকে লাইফস্টাইল তাদের প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা ও সামগ্রিক কার্যক্রম আরও জোরদার ও গতিশীল করতে সম্প্রতি তিনজন অভিজ্ঞ সিনিয়র পেশাজীবী, মো. আব্দুল জলিল খান, আসাদুজ্জামান নূর ও মো. শাহা রিয়ার রহমান সাগীরকে নিয়োগ দিয়েছে। বিপণন, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে তাদের সম্মিলিত অভিজ্ঞতা ব্র্যান্ডটির সেবার মান উন্নয়ন, গ্রাহক অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি ও টেকসই ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মো. আব্দুল জলিল খান, স্বাস্থ্যসেবা খাত ও প্রতিষ্ঠানের অপারেটিং ব্যবস্থাপনায় ৩০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন দক্ষ ও সফল শীর্ষ নির্বাহী। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর (প্রথম শ্রেণি) সম্পন্ন করেছেন এবং ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রাম থেকে মার্কেটিংয়ে এমবিএ সম্পন্ন করেছেন। দেশের শীর্ষস্থানীয় হেলথকেয়ার ব্র্যান্ডগুলোর ব্যবসায়িক উন্নয়ন ও পরিচালনগত উৎকর্ষ সাধনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। জেকে লাইফস্টাইলে গ্রুপ সিওও পদে যোগদানের আগে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে সিনিয়র জিএম (অপারেশনস অ্যান্ড হসপিটালিটি) ও ইউনাইটেড হাসপাতালে জিএম (অপারেশনস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি, প্রাভা হেলথের মার্কেটিং ডিরেক্টর এবং স্কয়ার হাসপাতাল ও আজগর আলী হাসপাতালের ব্যবস্থাপক, বিপণন ও ব্যবসায় উন্নয়ন পদে দায়িত্ব পালন করে গ্রাহক গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি ও ব্যবসায়িক উন্নয়নে তিনি সরাসরি অবদান রেখেছেন। তার দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতা ও কৌশলগত নেতৃত্ব জেকে লাইফস্টাইলের বিভিন্ন ব্যবসায়িক ইউনিটগুলোর মধ্যকার সমন্বয়কে আরও জোরদার করতে এবং প্রতিষ্ঠানের টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে অনন্য ভূমিকা রাখবে।

আসাদুজ্জামান নূর আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও করপোরেট গভর্ন্যান্সে ১৮ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা নিয়ে জেকে লাইফস্টাইলে যোগ দিয়েছেন। তিনি ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ থেকে ফাইন্যান্সে বিবিএ ও এমবিএ সম্পন্ন করেছেন। পাশাপাশি, চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস (সিআইএমএ), যুক্তরাজ্য থেকে অ্যাডভান্সড ডিপ্লোমা ইন ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টিংয়ে পেশাগত যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

এর আগে তিনি সিনড্রেলা ফ্যাশন লিমিটেড (হংকং), সিনড্রেলা ফ্যাশনস (বাংলাদেশ) লিমিটেড, বেক্সিমকো কমিউনিকেশন্স লিমিটেড, লায়লা গ্রুপ ও কিউবি-সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও, আসাদুজ্জামান নূর বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত একটি সক্রিয় প্রকল্পে এফএসএসপির অধীনে ১০.৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রকল্প তহবিল ব্যবস্থাপনা এবং ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি লিড-সার্টিফায়েড গ্রিন বিল্ডিং প্রজেক্টে অবদান রেখেছেন। তার অভিজ্ঞতা জেকে লাইফস্টাইলের আর্থিক ব্যবস্থাপনা, সম্পদের কার্যকর ব্যবহার ও দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে ভূমিকা রাখবে।

মো. শাহা রিয়ার রহমান সাগীর প্রযুক্তি খাতে ১২ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন পেশাজীবী। তিনি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স থেকে বিএসসি সম্পন্ন করেছেন। তিনি আইটিবি সল্যুশন, ইউএসএতে ম্যানেজার, বিওয়াইএসএল গ্লোবাল টেকনলোজিস লিমিটেড এবং এটিবি ল্যাব লিমিটেডে (জাপান) সিনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়াও, মো. শাহা রিয়ার একজন এডব্লিউএস সার্টিফায়েড সল্যুশন্স আর্কিটেক্ট - অ্যাসোসিয়েট এবং জেন্ড সার্টিফায়েড পিএইচপি ইঞ্জিনিয়ার। ফুল-স্ট্যাক সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ডেভঅপ্স, এডব্লিউএস ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ম্যানেজমেন্ট ও ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টে তার সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা জেকে লাইফস্টাইলের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, ডিজিটাল কার্যক্ষমতা ও সামগ্রিক কার্যক্রমের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবেন।

নতুন নেতৃত্বকে স্বাগত জানিয়ে জেকে লাইফস্টাইলের প্রতিষ্ঠাতা ডা. মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর কবির বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, অভিজ্ঞ ও দক্ষ নেতৃত্বের সমন্বয় জেকে লাইফস্টাইলের ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করবে। নতুন সহকর্মীদের সাথে পারস্পরিক বোঝাপড়া, দলগত সহযোগিতা ও অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে কাজ করার মাধ্যমে আমরা আমাদের সেবার মান উন্নয়ন ও সুস্থ জীবনধারাভিত্তিক সমন্বিত ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার লক্ষ্যকে আরও এগিয়ে নিতে চাই।”